ফারহান করিম – BDJL প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা
ফারহান করিম BDJL তৈরি করেছেন এবং বাংলাদেশে এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। তার পরিকল্পনা এবং কাজের ধরন সম্পর্কে জানুন।
ফারহান করিম কে?
ফারহান করিমের জন্ম ১৯৯০ সালের ১২ জুলাই, চট্টগ্রামে। ব্যবসায়ী পরিবারে বড় হওয়ায় ছোটবেলা থেকেই তার উদ্যোক্তা মানসিকতা ছিল।
BDJL তার প্রথম বড় প্রজেক্ট যেটা সফল হয়েছে। তিনি টেকনোলজি এবং বেটিং ইন্ডাস্ট্রি দুটোকেই ভালো বোঝেন। এই দুই জিনিসের মিশ্রণে BDJL এখন বাংলাদেশের একটি পরিচিত নাম।
শুরু থেকে এখন পর্যন্ত
ফারহানের সাফল্য একদিনে আসেনি। লেখাপড়া, চাকরি, তারপর নিজের ব্যবসা—প্রতিটা ধাপে তিনি কিছু না কিছু শিখেছেন।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া
ফারহান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে গ্র্যাজুয়েশন করেছেন। পড়ার সময় তিনি কোডিং এবং ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখেছেন।

ইউনিভার্সিটিতে থাকতেই তিনি কয়েকটা ছোট প্রজেক্ট করেছিলেন। একটা ই-কমার্স সাইট এবং একটা মোবাইল অ্যাপ। এগুলো তেমন সফল হয়নি, কিন্তু অভিজ্ঞতা হয়েছে।
প্রথম চাকরি এবং অভিজ্ঞতা
গ্র্যাজুয়েশনের পর ফারহান ঢাকার একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে জয়েন করেন। সেখানে তিনি মোবাইল অ্যাপ এবং পেমেন্ট গেটওয়ে নিয়ে কাজ করেছেন।
তিন বছর চাকরি করার পর তিনি নিজের কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন। চাকরিতে ভালো স্যালারি ছিল, কিন্তু তার মনে হয়েছিল নিজের ব্যবসা করলে আরও বড় কিছু করা যাবে।
BDJL শুরু করার সিদ্ধান্ত
২০১৯ সালে ফারহান BDJL লঞ্চ করেন (about us) । প্রথম ছয় মাস খুব কঠিন ছিল। ইউজার আসছিল না, টেকনিক্যাল সমস্যা হচ্ছিল।

কিন্তু তিনি প্রতিটা ফিডব্যাক শুনেছেন এবং প্ল্যাটফর্ম ঠিক করেছেন। ধীরে ধীরে ইউজার বাড়তে শুরু করে। এখন BDJL-এ হাজার হাজার অ্যাক্টিভ ইউজার আছে।
ফারহানের কাজের পদ্ধতি
BDJL কে সফল করতে ফারহান কয়েকটা জিনিসে বিশেষ নজর দিয়েছেন। এগুলো না করলে প্ল্যাটফর্ম এতদূর আসত না।
স্থানীয় চাহিদা মাথায় রাখা
ফারহান বুঝেছিলেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কী লাগবে। তাই BDJL-এ রকেট, বিকাশ, নগদ সব পেমেন্ট মেথড যোগ করেছেন।
বাংলা ইন্টারফেস রেখেছেন। এবং বিপিএল, আইপিএলের মতো ম্যাচে বিশেষ বেট অপশন দিয়েছেন। এই ছোট ছোট জিনিস ইউজার এক্সপেরিয়েন্স অনেক ভালো করে দেয়।
প্ল্যাটফর্ম উন্নত করা
খেলার বৈচিত্র্য
BDJL-এ স্পোর্টস বেটিং, লাইভ ক্যাসিনো, স্লট গেম—সব আছে। ফারহান মাসে অন্তত ৫-৬টা নতুন গেম যোগ করেন।
তবে শুধু সেগুলোই যেগুলো ফেয়ার এবং লাইসেন্সড। কোয়ালিটি তার কাছে সবসময় প্রথম অগ্রাধিকার।
সাপোর্ট টিম
BDJL-এর কাস্টমার সার্ভিস দল সবসময় অনলাইনে থাকে। ফারহান নিজে মাঝে মাঝে কাস্টমার কমপ্লেইন চেক করেন।
এতে সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়। ইউজাররা যখন দেখে তাদের কথা শোনা হচ্ছে, তখন তারা প্ল্যাটফর্মে বিশ্বাস রাখে।
ব্র্যান্ড পরিচিতি বাড়ানো
ফারহান সোশ্যাল মিডিয়া, ক্রিকেট ইনফ্লুয়েন্সার, এবং স্পোর্টস ইভেন্ট স্পন্সরশিপ করেন। BDJL এখন বাংলাদেশের অনেক জায়গায় পরিচিত।
তিনি জানেন যে শুধু ভালো প্রোডাক্ট থাকলেই হয় না, মানুষকে সেটা জানাতে হয়। তাই মার্কেটিংয়ে তিনি ভালো বাজেট রাখেন।
পুরস্কার এবং পেমেন্ট
BDJL-এ জিতলে ১৫ মিনিটের মধ্যে টাকা তোলা যায়। কোনো লুকানো চার্জ নেই। এই স্বচ্ছতা খেলোয়াড়দের বিশ্বাস বাড়িয়েছে।
অনেক সাইটে উইথড্র করতে সমস্যা হয়, কিন্তু BDJL-এ সেটা নেই। এটা ফারহানের একটা বড় সাফল্য।
বোনাস এবং প্রমোশন
প্রতি মাসে BDJL-এ ডিপোজিট বোনাস, রিলোড বোনাস, রেফারেল বোনাস থাকে। বড় ম্যাচের সময় বিশেষ অফার দেওয়া হয়।
এতে নতুন এবং পুরনো দুই ধরনের ইউজারই খুশি। বোনাসের শর্তগুলোও পরিষ্কার এবং ফেয়ার।
উপসংহার
ফারহান করিম তার টেকনিক্যাল জ্ঞান এবং ব্যবসায়িক বুদ্ধি দিয়ে BDJL কে বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম বানিয়েছেন। তার লক্ষ্য আগামী দুই বছরে BDJL কে দক্ষিণ এশিয়ার সেরা বেটিং সাইট বানানো।
তিনি জানেন যে এই লক্ষ্য পৌঁছাতে আরও অনেক কাজ করতে হবে। কিন্তু তার অভিজ্ঞতা এবং দলের সাপোর্ট দেখে মনে হয় এটা সম্ভব।
